‘দেওরা’ গানের লুক তৈরির গল্প
https://khabor.soumitra.itlab.solutions/
3845
opinion
প্রকাশিত : ১১ এপ্রিল ২০২৩ ১১:১০ | আপডেট : ১৮ অক্টোবর ২০১১ ০০:০০
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন ১১ এপ্রিল সোমবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে তাঁর বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্কের দৃঢ়তার কথাই প্রাধান্য পেয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এন্থনী ব্লিঙ্কেন বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলেছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশে মত প্রকাশের অবাধ স্বাধীনতা বিরাজ করছে। সরকারীভাবে কারো কণ্ঠ রোধ করা হচ্ছে না। প্রতিদিন লোকজন টক শো'তে কথা বলছেন। কিছু সাংবাদিক সাংবাদিকতার নামে অপরাধে জড়িয়ে আছেন উল্লেখ করে তিনি বলেছেন অপরাধ করলেই দেশের আইন অনুযায়ী তাঁদের গ্রেফতার করা হয়ে থাকে।
১১ এপ্রিল মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত পররাষ্ট্রমন্ত্রী আইপিটিভি টাইম টেলিভিশনের সাথে কথা বলেন। এসময় প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, সংসদে দাঁড়িয়ে আমেরিকার বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যটি তিনি শুনেননি। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, যে মুহূর্তে দুই দেশের চমৎকার সম্পর্কের কথা বলছেন দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেমুহূর্তে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সরাসরি আমেরিকাকে অভিযুক্ত করে বক্তব্য দিয়েছেন। মন্ত্রী আব্দুল মোমেন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র সফরের আগে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎকার করে এসেছেন এবং প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই তিনি মন্ত্রীপর্যায়ের বৈঠকে কথা বলেছেন।
এদিকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডিজিটাল নিরাপত্তার বিষয়ে কিছু না বললেও মার্কিন স্টেট ডিপার্টম্যান্ট এ নিয়ে করা কথা বলেছেন। ১০ এপ্রিল পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিং দপ্তরটির প্রধান উপমুখপাত্র ভেদান্ত প্যাটেল বলেছেন, ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ইনডেক্সে বাংলাদেশ ১০ ধাপ পিছিয়েছে। এর পেছনে আছে বাংলাদেশের ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন। ব্রিফিংয়ে এই আইনকে সাংবাদিকদের জন্য বিশ্বের সব থেকে কঠিন (ড্র্যাকোনিয়ান) আইনগুলোর একটি বলেও আখ্যায়িত করেন প্যাটেল।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সর্বশেষ বিশ্বের স্বাধীন গণমাধ্যম সূচকে ১৮০ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৬২। গত বছরের তুলনায় বাংলাদেশের আরও ১০ ধাপ অবনতি হয়েছে। সূচকে বাংলাদেশের এই অবস্থানের সবথেকে বড় কারণগুলোর একটি হচ্ছে ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন। যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যায়ন অনুযায়ী, এই আইন বিশ্বে সাংবাদিকদের জন্য সব থেকে কঠিন আইনগুলোর একটি। এনিয়ে আমরা খুব স্পষ্ট করে আমাদের অবস্থান জানিয়ে দিয়েছি। মুক্তগণমাধ্যম এবং ‘অবহিত নাগরিক’ যেকোনো জাতি এবং এর গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। গণমাধ্যম এবং বিভিন্ন কন্টেন্টের ওপর যে নিয়ন্ত্রণ অব্যাহত রয়েছে তার প্রভাব নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন।