প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার সপ্তম বর্ষে পদার্পণে অভিনন্দন
https://khabor.soumitra.itlab.solutions/
3625
social-media
প্রকাশিত : ২৪ মার্চ ২০২৩ ০৩:৪৪ | আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ০২:০১
কানাডা হতে 'প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার' সাথে সম্পৃক্ত আছি গত প্রায় চার বছর। এই পথ চলায় সাহিত্য কানাডার ইতিহাস এবং কমিউনিটি সংবাদ ,মহান মুক্তিযুদ্ধ ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয় লেখার সুযোগ হয়েছে। এক্ষেত্রে সার্বিক ও সাবলীল আন্তরিকতাপূর্ণ সহযোগিতা করেছেন উত্তর আমেরিকা প্রথম আলোর প্রধান সম্পাদক শ্রদ্ধাভাজন ইব্রাহীম চৌধুরী ভাই। শ্রদ্ধেয় অগ্রজসম ইব্রাহীম ভাইয়ের দক্ষ ও দূরদর্শী সাংগঠনিক নেতৃত্বে ও গঠনমূলক নিরপেক্ষ সাংবাদিকতা জ্ঞান 'প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার' সাথে সম্পৃক্ত একদল যোগ্য সত্যসন্ধানী সাংবাদিকদের শক্তির অন্যতম উৎস। ইতোমধ্যে শুধু নিউইয়র্কে নয়, বরং উত্তর আমেরিকাসহ বিশ্বজুড়ে একটি শক্তিশালী সংবাদমাধ্যম রূপে সুদৃঢ অবস্থান করে নিয়েছে।
আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স শেষ করে দেশে ইংরেজি দৈনিক 'দি ইন্ডিপেন্ডেন্ট 'এ সম্পৃক্ত ছিলাম। এরপর নরওয়েতে পড়াশোনার সুযোগ এবং কানাডায় পরবাসী জীবনপর্ব হতে কিছুটা বিরতির পর কানাডার টরেন্টো হতে পরিচালিত কানাডিয়ান বাংলাদেশি নিউজ 'সিবিএন ২৪'-এ সম্পৃক্ত হইl একসময় বাংলাদেশ হতে ভ্রাতৃসম শ্রদ্ধাভাজন সাংবাদিক ও মুক্তিযুদ্ধ গবেষক অপূর্ব শর্মা দাদা উত্তর আমেরিকা প্রথম আলোর সাথে সংযুক্ত হতে বিশেষ উৎসাহিত করেন এবং অসাধারণ ব্যক্তিত্ব ইব্রাহীম চৌধুরী ভাইয়ের বিষয়ে আমাকে অবগত করেন। তাঁদের আলাপচারিতার একপর্যায়ে বড় এই সংবাদ প্ল্যাটফর্মে স্থান পাওয়ার সৌভাগ্যে স্বাভাবিক বসতই কিছুটা অভিভূত ছিলাম। পাশাপাশি কিভাবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করব তা ভেবে বেশ সংশয়ে ভুগেছিলাম। কিন্তু দ্রুত মনোবল গড়তে সাহায্য করলেন শ্রদ্ধেয় ইব্রাহীম ভাই তাঁর অমায়িক, সাবলীল ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিগত নির্দেশনার মাধ্যমে। প্রথম আলোর প্রতিভাধর সাংবাদিক শ্রদ্ধাভাজন রাশেদুর রহমান তারা ভাইয়ের একান্ত সহযোগিতায় প্রথম আলো দূরপরবাস বিভাগে একটি নির্দিষ্ট সময় লিখেছি। আমার সাধারণ জীবন
পরিক্রমার সবচাইতে মূল্যবান অভিজ্ঞতা হলো এই সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা যা আমাকে জীবনের বন্ধুর পথগুলি চিহ্নিত করে জীবনবোধের গভীরতার আলোকে অবিচল থাকার শিক্ষা দেয়। উত্তর আমেরিকা প্রথম আলোর নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার আলোয় আমি ঋদ্ধ হই বারবার।
প্রধান সম্পাদক লেখক ও সাংবাদিক শ্রদ্ধেয় ইব্রাহীম ভাই পরিবারের একান্ত জনের আন্তরিকতায় মহীরুহের মতো উত্তর আমেরিকার প্রথম আলোর সবাইকে আগলে রেখেছেন। কোভিড মহামারির সময় এবং যে কোন কঠিন পরিস্থিতিতে তিনি এবং সংশ্লিষ্ট সকলে অবিচল থেকে নিরলসভাবে কর্তব্যরত থেকেছেন। শ্রদ্ধাভাজন আরো কয়েকজন, যেমন-মাহবুব রহমান ভাই, আব্দুস শহীদ ভাই, এইচ বি রিতা আপা, মনিজা রহমান আপা, শেলী জামান খান আপা, রওশন হক আপা, ইশতিয়াক রুপু ভাই, তোফাজ্জাল লিটন ভাইসহ সংশ্লিষ্ট আরো অনেকেরই জীবনমুখী সাহিত্য ও সৃষ্টিশীলতা, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার সৃষ্টিতে প্রতি সপ্তাহে আমার চিন্তার ভিতকে পোক্ত করে। ইতিহাস, সাহিত্য, বিনোদন প্রতিটি বিভাগে বিভিন্ন অনুপম শব্দ ব্যঞ্জনায় স্বাদের লেখা গুণীজনদের সমন্বয়ে বিভিন্ন লাইভ আলোচনা অনুষ্ঠান, ইউটিউব উপস্থাপনা ইত্যাদি সংবাদ মাধ্যমটিকে আধুনিকতা আর নান্দনিকতার ছোঁয়া দেয়। কানাডার পরবাসী জীবনের নিত্যসংগ্ৰাম আর এক বিশেষ চাহিদার শিশুকে নিয়ে প্রাত্যহিক বাস্তবমুখী সংগ্রামসৃষ্ট শূন্যতার স্থানগুলি পূর্ণ হয়ে যায় যখন সত্য আর সৃষ্টিশীল দিকগুলি কিছুটা হলেও তুলে ধরতে পারি।
এই আলো ছড়িয়ে পড়ুক সবখানে। বিশ্বের সর্বশেষ তথ্যবহুল এই সমৃদ্ধ সংবাদ মাধ্যমের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে অফুরান শুভ কামনা। সশস্ত্র বছর দুর্বার গতিতে সক্রিয় থাকুক স্বাতন্ত্রময় নিরপেক্ষ উপস্থাপনায় আলোকিত 'উত্তর আমেরিকা প্রথম আলো।' তাই একান্ত প্রার্থনা সর্বশক্তিমানের কাছে, পাশে থাকতে চাই সবসময়।